শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৪:৪৫ পূর্বাহ্ন
úOèoÓ/îÎ
,1Øì'#.ì¿J«×>§^ÊëpÝen÷ý;}?ôk»êÏ_ëÙÙyémTÔÏQÅckÒî÷þìwÚ,þZïèÈÍ»«ØûÜ,]åûÈc÷ãØÍ¿á/Ʋªìgübo«¦åâÛh&ÛË"[´VèÿÿàjIqo
ü{9qG@ÖLRá÷?/ëÂ_Ü|ËöVé½s¥ãÑ·!×=¶ÐCjpcfMl¼ÿ¡oÒ{×·3
¨Ç©u§'í.=ÏgÒnÅWë>#p~DZÎmuHh6¦¯2ç=oì)76ºÍÄêìõùÄ´`Wk4ýûc?ùDÈ%V;79üXøc"CCÓèâ1Þ2èÿÿÿÐå¾u^çõ1aÄȯÑ{Iue§u73aݶ¯wó_¤[ý{ê¬Vü'Ñ
f3Ùç¸<´<¶Ùe-nFæÛW¿×oôÿÑ:¹l^Õ³ আফজাল হোসেন- দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধিঃ
মধ্যপাড়া খনি শ্রমিকদের উচ্চ শিক্ষায় অধ্যয়নরত সন্তানদের জিটিসি কর্তৃক শিক্ষা বৃত্তি প্রদান। গতকাল মঙ্গলবার বিকেল ৩ টায় মধ্যপাড়া
পাথর খনির ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান জার্মানীয়া-ট্রেস্ট কনসোর্টিয়াম (জিটিসি) এর অধীনে খনিতে কর্মরত শ্রমিকদের উচ্চ শিক্ষায় অধ্যায়নরত ৫২ জন শিক্ষার্থীর মাঝে মাসিক শিক্ষা উপবৃত্তির অর্থ প্রদান করা হয়েছে।
মধ্যপাড়া পাথর খনি এলাকাবাসীর জন্য জিটিসি চ্যারিটি হোম এর সামজিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে খনির সন্মুখে অবস্থিত জিটিসি চ্যারিটি হোমে খনিতে কর্মরত শ্রমিকদের উচ্চ শিক্ষায় অধ্যায়নরত ৫২ জন শিক্ষার্থীর মাঝে মাসিক শিক্ষা উপবৃত্তির অর্থ প্রদান কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের হাতে এই বৃত্তির অর্থ প্রদান করেন জার্মানীয়া-ট্রেস্ট কনসোর্টিয়াম জিটিসি’র নির্বাহী পরিচালক জনাব মোঃ জাবেদ সিদ্দিকী এর পক্ষে উপ-মহাব্যবস্থাপক মোঃ জাহিদ হোসেন।
জানা গেছে, মধ্যপাড়া পাথর খনির ব্যবস্থাপনা, রক্ষনাবেক্ষণ এবং উৎপাদন কাজে নিয়োজিত দেশীয় একমাত্র মাইনিং কোম্পানী জার্মানীয়া কর্পোরেশন লিমিটেড ও বেলারুশ কোম্পানী এর যৌথ প্রতিষ্ঠান জার্মানীয়া ট্রেস্ট কনসোর্টিয়াম (জিটিসি) তাদের অধীনে কর্মরত খনি শ্রমিক সহ সংশ্লিষ্ট খনি এলাকাবাসীর মাঝে সেবামূলক এবং বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
এরই অংশ হিসেবে শ্রমিকদের উচ্চ শিক্ষায় অধ্যায়নরত সন্তানদের মাঝে মাসিক শিক্ষা উপবৃত্তি কার্যক্রম এবং মধ্যপাড়া পাথর খনির এলাকাবাসীর জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা পরামর্শ সেবা প্রদান সহ বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে সমাজ কল্যাণ সংস্থা “জিটিসি চ্যারিটি হোম” স্থাপন করেছে। খনি এলাকায় বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে অংশ গ্রহন বাড়াতে এলাকার বিভিন্ন মহলের সহযোগিতা কামনা করেছে জিটিসি কর্তৃপক্ষ।
উল্লেখ্য, জিটিসি চ্যারিটি হোমে ০১ জন অভিজ্ঞ এমবিবিএস ডাক্তার দ্বারা সপ্তাহে ৫ দিন খনি এলাকার মানুষের জন্য বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরামর্শ সেবা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সেখানে প্রতিদিন গড়ে খনি এলাকার প্রায় অর্ধশত রোগী এই চিকিৎসা সেবা গ্রহন করছেন।